Sunday, June 28, 2015

যুবতি মেয়ে ও যুবক দৈত্য | বাংলা কৌতুক নং ১০০৭

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

এক যুবতি মেয়ে বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়। 
ঘুরে ঘুরে একটা ঘরে ঢুকে যুবতি দেখলো পাশে এক দৈত্যের পোশাকে যুবক দাঁড়িয়ে।
যুবকটি বললোঃ “স্বাগতম আমার মালিক! আমি এই চেরাগের দৈত্য। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই!”
যুবতি এক নিঃশ্বাসে বললোঃ ‘কোটি কোটি টাকা, বিশটা বাড়ির দলিল বিশটা গাড়ি!’
যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক আমি দীর্ঘদিন এই কেল্লায় একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণের আগে আমার একটি ইচ্ছা পূরণ করতে চাই!’

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব

যুবতি বললোঃ ‘বলে ফেলো তোমার কি চাই?’
 যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েক বার আদর সোহাগ করতে চাই!’
যুবতিটি ভাবলোঃ ‘এতো কিছু পাবো সাথে আবার আদর সোহাগও? মন্দ কি?’ 
তাই যুবতিটি সানন্দে রাজি হলো। অতঃপর সারা রাত তারা আদর সোহাগ করলো! 
পরদিন ভোরে যুবক দৈত্যটি বললোঃ আমার মালিক, আপনার বয়স কত?’ 
যুবতিটিজবাব দিলোঃ ‘আমার বয়স ২৫!’
যুবক দৈত্যটি হাসতে হাসতে বললোঃ ‘এই বয়সেও আপনি চেরাগের দৈত্য/ ভূতে বিশ্বাস করেন?
মেয়েটি আরো বেশি জোরে হেসে বললঃ
- আপনার বয়স কত?
- ৩৫ 
- ৩৫ বছর হয়ে গেছে আপনার। তারপরও আপনাকে একটি মেয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় এই জংলা বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দৈত্যের অভিনয় করতে হচ্ছে দেখে আমার মায়া লাগলো। তাছাড়া আজ একমাস হল আমার বয়ফ্রেন্ড ব্যবসার কাজে সিঙ্গাপুর গেছে।
অতএব, মেয়েদের ২৫= ছেলেদের ৩৫। তাই নয় কি?

Saturday, June 20, 2015

আইনস্টাইন ও তরুণ সাংবাদিক | বাংলা কৌতুক নং ১০০৬

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

সংক্ষেপে বলুন তো আপেক্ষিক তত্ত্বটা কী? পারছেন না? তাহলে আইনস্টাইনের মুখেই জেনে নিন!
আইনস্টাইনকে একদিন এক তরুণ সাংবাদিক বললেন- 
-স্যার, আপনি সংক্ষেপে বলুন তো আপেক্ষিক তত্ত্বটা আসলে কী?


আইনস্টাইন কৌতুক করে বললেন-
 
Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব

যখন একজন লোক কোনো সুন্দরীর সঙ্গে এক ঘণ্টা গল্প করে তখন তার মনে হয় যে যেন এক মিনিট বসে আছে। কিন্তু যখন তাকে কোনো গরম উনানের ধারে এক মিনিট দাঁড় করিয়ে দেয়া হয় তার মনে হয় সে যেন এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে। এই হচ্ছে আপেক্ষিক তত্ত্ব।

Tuesday, June 2, 2015

পৃথিবীর আকার | বাংলা কৌতুক নং ১০০৫

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

শিক্ষিকাঃ বল তো পৃথিবীর আকার কী রকম?
ছাত্রঃ গোলাকার, স্যার।
শিক্ষিকাঃ বেশ বেশ! এবার প্রমাণ দাও কী করে বুঝলে যে পৃথিবী গোল।

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব

ছাত্রঃ জোরালো প্রমাণ আছে, স্যার। প্রথম সাপ্তাহিক পরীক্ষায় পৃথিবী চ্যপ্টা লিখে শূন্য পেয়েছি। দ্বিতীয় সাপ্তাহিক পরীক্ষায় চৌকোনা লিখেও শূন্য পেলাম। তারপর লিখলাম পৃথিবী লম্বা, তাও আপনি কেটে দিয়েছেন। শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে লিখেছিলাম তিনকোণা, তাও আপনি কেটেই দিলেন। তা হলে আর বাকি রইল কী? গোল হওয়া ছাড়া পৃথিবীর আর তো কোনো উপায় দেখতে পাচ্ছি না।

Monday, June 1, 2015

নানাকে ডাকব | বাংলা কৌতুক নং ১০০৪

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

সামি  পলির কথোপকথন...
সামিঃ তোমাকে যদি আমি ছুঁইতে চাই তাহলে তুমি কি করবে? এ ঘরে তো এখন শুধু আমি আর তুমি।

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব 

পলিঃ পারলে ছোও। আর আমিও নানাকে ডাকবো
সামিঃ আর যদি জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে চাই?
পলিঃ তাহলেও আমি নানাকে ডাকবো
সামিঃ আর যদি তোমার জামা খুলে অন্য কিছু করতে চাই? তাহলেও কি তুমি নানাকে ডাকবে?
পলিঃ হ্যাঁ, তাহলেও আমি আমার নানাকেই ডাকবো
সামিঃ বাপরে বাপ! তোমার নানা কি খুব ডাকাবুকা লোক নাকি? খালি নানাকে ডাকো কেন বলতো??

পলিঃ কারন আমার বাসায় একমাত্র নানা-ই কানে শুনে না!!

লেবু বিক্রি | বাংলা কৌতুক নং ১০০৩

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

আব্দুল হাটে গেছে লেবু বিক্রি করতে।

ক্রেতাঃ লেবু কত করে হালি?

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব 

আব্দুলঃ ৩০ টাকা হালি।
ক্রেতাঃ এইতুকু লেবুর দাম ৩০ টাকা হালি?
আব্দুলঃ আমার মা কইছে যে তুই একটু বোদাই বোদাই তো, তাই একটু বেশি দাম চাইবি।
ক্রেতাঃ বোদাই বোদাই তো বুঝলাম। তাইলে ৮ টাকা হালি রাখলেই তো পার!!
আব্দুলঃ অ্যাঁ ?!! তাই বলে এত বোদাই না !!!

Monday, May 18, 2015

Until মানে কি পর্যন্ত | বাংলা কৌতুক নং ১০০২

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

ক্লাসে স্যার একদিন বললেন  শুনো Until একটি বিশেষ শব্দ যা negative অর্থ প্রকাশ করে। এটি complex sentence গঠন করে।

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব

- স্যার, Until অর্থ কি?
- যে পর্যন্ত না
- তাহলে কি পর্যন্ত, স্যার?!!

Monday, April 20, 2015

রং নাম্বার | বাংলা কৌতুক নং ১০০১

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

বল্টু তার বউকে কুমিল্লা থেকে ফোন করল। ফোনটা এক চাকর ধরল।
চাকর : হ্যালো।
বল্টু : ম্যাম সাহেবকে ফোনটা দে।
চাকর : কিন্তু ম্যাম সাহেব তো সাহেবের সাথে বেড রুমে ঘুমাচ্ছে।
বল্টু : মানে?? সাহেব তো আমি !!!
চাকর : আমি এখন কি করব??
বল্টু : দুইজনকে-ই গুলি করে মেরে ফেল । আমি তোকে লাখ টাকা দিব।

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব
(দুইজন- কে গুলি করে মারার পর)
চাকর : সাহেব, লাশ ২টা এখন কি করব??
বল্টু : লাশ ২টা বাড়ির পিছনের Swimming pool এ ফেলে দে।
চাকর : কিন্তু সাহেব, বাড়ির পিছনেতো কোন swimming pool নেই!
বল্টু : নেই???!! ওহ sorry তাহলে wrong number!!

Saturday, April 11, 2015

দেবর ভাবি | বাংলা কৌতুক নং ১০০০

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |


ভাবি এবং দেবরের বাংলা কৌতুক,image

ভাবিঃ কিরে তোর মাইয়া পছন্দ হইছে?
দেবরঃ না ভাবি, হল না তো ...........
ভাবিঃ কি হইছে রে......?
দেবরঃ সবই ঠিক আছে কিন্তু একটু খাটো আর কি।
ভাবিঃ আরে বোকা, মোবাইল ছোট হোক আর বড় হোক, মেমোরি ঢুকানোর জায়গা কিন্তু সব সময় সমান। এবার বুঝলি?!!

দুই ভাড়াটিয়া ও এক বৌ | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৯

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

পাশাপাশি দুই বিল্ডিং এর দুই ভাড়াটিয়া

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব
১ম ভাড়াটেঃ ভাই আপনার জন্মদিন কবে?
২য় ভাড়াটেঃ কেন ভাইজন্ম দিন জেনে কি করবেন?  
১ম ভাড়াটেঃ না মানেআপনাকে একটা পর্দা gift করতাম  আর কি। কারন জানালা দিয়ে প্রতিদিন আপনাদের রোমান্স দেখে দেখে bore হয়ে গেছি।
২য় ভাড়াটেঃ  আপনার জন্ম দিন কবে?
১ম ভাড়াটেঃ আগামী সপ্তাহে। কেন?
২য় ভাড়াটেঃ আপনাকে একটা দূরবিন gift করব যাতে আপনি দেখতে পারেন যে wife টা কার!!!

জামাই ও পাটশাক | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৮

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

জামাই গেছে শ্বশুর বাড়িতে

বাংলা কৌতুক নং - ৯৯৮, image
অনেকদিন পর জামাই এসেছে তাই শাশুড়ি ভালো ভালো রান্না করছে পোলাও, মাংস, রুইমাছ, কোপ্তা, কালিয়া, দই, বেগুন ভাজি এবং পাটশাক তো শাশুড়ি প্রথমে জামাই এর প্লেটে একগাদা পাটশাক তুলে দিল জামাই তাড়াতাড়ি সেটুকু খেয়ে ফেলল দেখে শাশুড়ি বলে উঠলো,
-“বাবা তোমার বুঝি পাটশাক টা খুব ভালো লেগেছে, আরেকটু দেই?” - বলতে বলতে আরেক গাদা পাটশাক জামাইয়ের প্লেটে তুলে দিলো শাশুড়ি  জামাই একটু মন ক্ষুন্ন হল খাওয়ার এতো আইটেম বড় বড় মাংসের টুকরা, মাছের পেটি তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে এখন তো শুধু পাটশাক খেয়েই পেট ভরে গেল জামাই ঐটুকুও খেয়ে শেষ করতেই শাশুড়ি বললেন,
- “বাবা আরো একটু দেব?
জামাই তখন খাওয়া ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
-“আম্মা আপনার আর কষ্ট করে প্লেটে শাক তুলে দেয়া লাগবে নাপাট ক্ষেতটা দেখাইয়া দেন, আমি গিয়া খাইয়া আসি

শাড়ি ও কাজের বুয়া | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৭

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

কাজের বুয়াঃ আপা এই নেন আপনার শাড়ি এই শাড়ি আমি আর পরতাম না
গৃহ কর্তিঃ  কেন পরবা না? শাড়িটা অনেক দামি, আর বেশীদিন হয়নাই শাড়িটা আমি পরছি
কাজের বুয়াঃ ঘটনা সেইটা না
Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব
গৃহ কর্তিঃ ঘটনা তাইলে কি?
কাজের বুয়াঃ আপনার এই শাড়ি পইরা কাজ করতে ছিলাম ভাইজান আমারে আপনি মনে কইরা ধারে কাছে ঘেঁষলই না একদম
গৃহ কর্তিঃ কি?? এত্ত বড় কথা! দাঁড়া আজ তোর একদিন কি আমার..........
কাজের বুয়াঃ আরে রাখেন, কথা এখনও শেষই হইল না আমি যখন এই শাড়ি পইরা কাজ করতে ছিলাম, আপনাদের গাড়ির ড্রাইভার আমারে আপনি মনে কইরা জাপটাই ধরছিল
গৃহ কর্তিঃ (থতমত খেয়ে) আচ্ছা ঠিক আছে, তোমাকে আমি নতুন শাড়ি কিনে দিবনে, কেমন!!

অফিসের বস ও কেরানি | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৬

বাংলা কৌতুক নং - ৯৯৬, image

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

অফিসের বড় সাহেবের ভয়ে সর্বদাই তটস্ত থাকে সেই অফিসের এক কেরানি একদিন সে তার সহকর্মীকে বললো-
-“ভাই,আজকেআমার শরীরটা খুব খারাপ লাগছে কি করি বলোতো?
-“স্যার তো এখন অফিসে নাই, তুমি বরং বাড়ী চলে যাও বুদ্ধি দিলো বন্ধুটি
সহকর্মীর কথায় সাহস করে সে বাড়ী চলে এল বাড়ী এসে জানালা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে বড় সাহেব তার স্ত্রীর সাথে জড়াজড়ি করে হাসাহাসি করছে ভয়ে সে তৎক্ষণাৎ অফিসে ফিরে গেল একটু দম নিয়ে সহকর্মীকে বললো,
-“তোমার কথা মত বাড়ী গিয়ে বসের কাছে প্রায় ধরা পড়েই গিয়েছিলাম !!



দারুণ সব হাঁসির কৌতুক, হাজার মজার হাঁসির কৌতুক, দিল খোলা হাঁসির কৌতুক, হাসতে হাসতে মরার কৌতুক, এবং রাত ১২ টার পরের কৌতুক পেতে আমারদের সঙ্গেই থাকুন।


যারা ভালো কোন কৌতুক জানেন তারা কমেন্ট বক্সে দিতে পারেন। নাম ও মোবাইল নম্বরসহ দিবেন যদি তা এই সাইটে প্রকাশ করতে চান। আমাদের জীবনে প্রতিনিত ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা ভিন্ন ভিন্ন রকম আনন্দ ও কৌতুকের জম্ন দেয়। আপনি চাইলে তা নিজের মত করে লিখে আমারদের দিতে পারেন। যার কৌতুক সবচেয়ে মজার বিবেচিত হবে তিনি পাবেন ১০১ টাকার গিফট। তবে কৌতুক গুলো অবশ্যই নতুন বা অপ্রচলিত হতে হবে। আর যদি সম্ভব হয় কৌতুকের সাথে মিল রেখে ছবি পাঠালে ভাল হয়। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।

ঈশর ও তার দান | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৫

| বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক |

গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেনঃ

- "তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর।”
- “সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন।”
- "যাহ্‌ তাই দিলাম।"

Bangla Funny Jokes And Koutuk at বাংলা কৌতুক ক্লাব


এবার সৃষ্টিকর্তা কুকুরকে বললেন : -"তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।"
শুনে, কুকুর ঈশ্বরকে বলল :
-“ দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা।”
ঈশ্বর এইবারও রাজি হয়ে গেলেন।

এরপর উনি বানরকে বললেন :
-"হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর।”
বানর আবেগে কেঁদে ঈশ্বরকে বলল :
-“দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??” এবারও ঈশর তা মঞ্জুর করলেন।

ঈশ্বর এইবার পুরুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল এবং বলল –
কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০ বছর??”

সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না? আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর, কুকুরের ১৫ বছর, বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন।”
ঈশ্বর বললেন : “নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম।”
সেই থেকে ছেলেরা পুরুষ মানুষ হিসেবে বাঁচে ২০ বছর, পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে, তারপরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব

ডাক্তার ও সাংবাদিক | বাংলা কৌতুক নং ৯৯৪

বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক ||

এক ডাক্তারের চেম্বারে লেখা ছিল-
"যে কোন রোগের ফি ৩০০ টাকা যদি রোগ ভাল না হয়, তবে ,০০০টাকা ফেরত পাবেন"
একজন ধান্দাবাজ সাংবাদিক এটা দেখে ভাবলো, ডাক্তারকে বাঁশ দিয়ে হাজার টাকা কামিয়ে নেই সে ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে বললো,
ডাক্তার আমি আমার জিহ্ববায় কোন টেস্ট পাই না!!
বাংলা কৌতুক ক্লাব >> বাংলা কৌতুক নং - ৯৯৪, image 
২২ নাম্বার বোতল থেকে কয়েক ফোটা ওষুধ উনার জিহ্ববায় দিয়ে দাও এসিস্টেন্ট সেটাই করলো লোকটি তখন ওয়াক ওয়াক করে বলল, এটা তো প্রস্রাব!!!

ডাক্তার হেসে বললেন, এইতো আপনার মুখের স্বাদ ফিরে এসেছে দেন ৩০০টাকা

কিছুদিন পর লোকটি আবার ফন্দি আঁটলো, কিভাবে আগের ৩০০ টাকা অন্তত উসুল করা যায় ডাক্তারকে বাঁশ দিতে পারলে ১০০০ পাবে আগের দেওয়া ৩০০ বাদ দিলেও ৭০০ টাকা লাভ থাকবে ধান্দাবাজ সাংবাদিক টি এবার চেম্বারে যেয়ে বলল,
ডাক্তার সাহেব, আমার মেমরি লস হইছে কিছু মনে রাখতে পারি না ডাক্তার আবারো এসিস্টেন্টকে বললেন,
২২ নম্বর বোতল থেকে এক চামচ ওষুধ উনাকে খাইয়ে দাও
এটা শুনেই লোকটি লাফ দিয়ে উঠে বলে, ২২নম্বরে তো প্রস্রাব!! আপনি কি আবার আমাকে প্রস্রাব খাওয়াবেন??
 ডাক্তার এবারো হেসে বলেন,
জি আপনার স্মৃতি ফেরত এসেছে আমার ৩০০ টাকা দেন!!!”